আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ক্রাইম ক্রনিকল
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও সামরিক অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সূত্রে প্রকাশিত তথ্যে লেবানন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ইসরায়েলের চ্যানেল–১২ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের নির্দেশে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করেছে। তবে একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে যেসব এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেখান থেকে তারা সেনা প্রত্যাহার করছে না।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নতুন করে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও একাধিক এলাকায় হামলা অব্যাহত থাকে, যার ফলে হতাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত দাবি করেছেন, স্থানীয় সময় সকাল ১১:৩০ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান-সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding) লঙ্ঘনের জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে ইরানের খাতামুল-আম্বিয়া সামরিক সদর দপ্তর দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি চুক্তি ভঙ্গের বিরুদ্ধে একটি পাল্টা পদক্ষেপ। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে এই দাবির বাস্তবতা ও প্রভাব নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
একই প্রেক্ষাপটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক চুক্তির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় ৭০০টি জাহাজ চলাচল করছে এবং একটি অভূতপূর্ব গতিতে জাহাজ চলাচল হচ্ছে।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচিও সুইজারল্যান্ড সফরের পরিকল্পনা করেছেন।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, তেল আবিব স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল ১১:৩০ থেকে লেবাননে তাদের আক্রমণ বন্ধ করেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে সরাসরি অনুবাদ করেছেন: আব্দুল্লাহ আল আবিদ