লিথুয়ানিয়ার বিস্ফোরক মন্তব্য :
চলতি মাসের শুরুর দিকে লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেস্তুতিস বুদ্রিস হুশিয়ারি দিয়ে মন্তব্য করেন, রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদে(বাল্টিক অঞ্চল) আঘাত হানার মতো সামরিক সক্ষমতা ন্যাটো জোটের রয়েছে। এতে উত্তেজনা ছড়ায় রুশ সরকারের মনস্তত্ত্বে।

রুশ সরকারের প্রতিক্রিয়া :
গত শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উক্ত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শত্রুপক্ষের সামরিক আগ্রাসনের বিপরীতে মস্কো কড়া সামরিক প্রতিক্রিয়া জানাবে।শত্রুপক্ষকে প্রতিহত করার যথার্থ সামরিক সক্ষমতা ক্রেমলিনের রয়েছে।আগ্রাসী শক্তিকে প্রতিহতকরণে এক বিন্দু ছাড় দেয়া হবে না।

রোমানিয়ায় রুশ ড্রোন বিস্ফোরণ :
এদিকে ২৮ মে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ রোমানিয়ার গালাতি অঞ্চলের একটি ১০ তলা আবাসিক ভবনে রুশ ড্রোন আঘাত হানে।প্রতিক্রিয়ায় রোমানিয়ান প্রেসিডেন্ট নিকুশোর ড্যান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।তিনি বলেন, রোমানিয়ার কনস্টান্টা অঞ্চলের রুশ কনসুলেট বন্ধ করে দেয়া হবে।যার প্রেক্ষিতে উত্তপ্ত হয় ইইউ-ন্যাটো ও রুশ সম্পর্ক।

ইইউ এর প্রতিক্রিয়া :
ইইউ প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার ল্যান রোমানিয়ায় রুশ ড্রোনের বিস্ফোরণের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও রোমানিয়ান সরকার এবং জনগণের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়ার ইঙ্গিত দেন।

অন্য অঞ্চল ব্যবহার করে রুশ অঞ্চলে আক্রমণ সম্পর্কে :
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, লাটভিয়া বা অন্য কোনো অঞ্চল থেকে রাশিয়ার সার্বভৌম কোনো অঞ্চলের উপর আঘাত হানা হলে ঐ অঞ্চল রাশিয়ার বৈধ লক্ষবস্তুতে পরিণত হবে এবং যেকোনো সামরিক আক্রমণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
