স্টাফ রিপোর্টার | ক্রাইম ক্রনিকাল


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন তুলে আগের বোর্ডের সমালোচকদের কাতারে ছিলেন তামিম ইকবাল। তখন তামিম ইকবাল বলেছিলেন, বুলবুল ভাই যদি দায়িত্বে থাকাকালীন নির্বাচন করেন, তাহলে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কিন্তু এখন তামিম ইকবাল নিজেই দায়িত্বে থাকাকালীন নির্বাচন করছেন। এটা নিয়ে নেটিজেন ও ক্রিকেটভক্তরা সমালোচনা করছেন।




এবারের নির্বাচনে ২৫ পরিচালকের মধ্যে ৮ জন আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে আরও দুজন পরিচালক যুক্ত হবেন। ফলে ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হচ্ছে মাত্র ১৫টি পদ। অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এসব পদের বেশ কয়েকটির ফলাফলও আগেই অনুমেয়।


শুধু তামিমই নন, ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির সাতজন সদস্যই পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বা নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে নির্বাচন আয়োজনকারী ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীর ভূমিকা একই ব্যক্তিদের হাতে থাকায় নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, আগের বোর্ডের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তুলে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, নতুন নির্বাচনে সেসব প্রশ্নের অনেকগুলোরই সন্তোষজনক জবাব মেলেনি। ফলে নেতৃত্ব বদলালেও বিসিবির নির্বাচনী সংস্কৃতিতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এসেছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।