দিনটি ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর। ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের যুদ্ধের মাধ্যমে গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মানবিক সংকট স্পষ্ট হয়। এটি ইসরায়েল- ফিলিস্তিনের মধ্যকার এযাবৎকালের দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ  যুদ্ধ।


১৯৪৫ সালে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত "জাতিসংঘ" নানাবিধ মানবিক সহায়তামূলক পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে আসলেও স্থায়ি কোনো সমাধান হয়নি গাজা উপত্যকার অধিবাসীদের। এখন পর্যন্ত একই অবস্থা চলমান।বরঞ্চ  ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন ইসরায়েলি আগ্রাসনে।


প্রতিবছরের মতো এবারও "জাতিসংঘ" কর্তৃক  "সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতা" নিয়ে একটি বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। প্রতিবেদনটিতে কালো তালিকাভুক্ত দেশ হিসেবে উঠে আসে ইসরায়েলের নাম।


জাতিসংঘের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক ও বন্দীদের উপর নির্মম যৌন সহিংসতার সুস্পষ্ট প্রমান রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর বিপক্ষে ইসরায়েল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।ইসরায়েলের দাবি - "রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে" ইসরায়েল বিরোধী অবস্থান নিয়েছে জাতিসংঘ।


দেশটি জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সাথে সকল ধরণের স্বম্পর্ক স্থগিত করেছে।এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত দাবি করেন,  ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ

বাস্তবতাবিবর্জিত ও নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে তারা যাবতীয় তথ্য-প্রমাণাদি জমা দিয়েছেন।