স্পোর্টস ডেস্ক। ক্রাইম ক্রনিকল
আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের পেছনে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব নতুন কিছু নয়। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপকে ঘিরে নরওয়ে দল যে প্রস্তুতি নিয়েছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো।
খেলোয়াড়দের পরিচিত ও পছন্দের খাবার নিশ্চিত করতে নরওয়ে তাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছে প্রায় ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ১১৬ কেজি ব্রুনোস্ট (নরওয়ের ঐতিহ্যবাহী এক ধরনের চিজ) এবং ৬,০০০টি কমলালেবু।
দলের কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশের মাটিতেও যেন খেলোয়াড়রা নিজেদের ঘরের মতো পরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই বিশেষ খাদ্যসামগ্রী সঙ্গে আনা হয়েছে। পরিচিত খাবার খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখার পাশাপাশি মানসিক স্বস্তিও বাড়ায় বলে মনে করছেন তারা।

শুধু খাবারই নয়, দলের খাদ্যব্যবস্থা তদারকির জন্য নরওয়ে থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ শেফও যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। তাদের দায়িত্ব হলো খেলোয়াড়দের জন্য পুষ্টিকর ও পরিচিত স্বাদের খাবার প্রস্তুত করা, যাতে টুর্নামেন্ট চলাকালীন খাদ্যসংক্রান্ত কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয় দলকে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো, এই শেফদের একজন গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক থেকেই নরওয়ে জাতীয় দলের সেটআপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই শেফ দলটির খাদ্যসংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের চাহিদা সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত।
বিশ্বকাপের মতো উচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য মাঠের পারফরম্যান্স যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি খেলোয়াড়দের খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্ব বহন করে। আর সেই বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নরওয়ে দল এবার বিশ্বকাপ মিশনে নেমেছে।