ভারতের নয়াদিল্লির বিমানবন্দর থেকে ফেরত এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়- ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি রোববার ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়েছিলেন। সেখানে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে ক্ষোভ দেখিয়ে তিনি ফেরত আসেন। 


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নজরদারি তালিকায় ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাঁকে শনাক্ত করেন। এরপর যাচাইয়ের জন্য তাঁকে আটক করে ঘন্টাখানেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে থাকা জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আচরণ যথাযথ না হওয়ায়, উপদেষ্টা ভারতে প্রবেশে অস্বীকৃতি জানান। তিনি ভারত থেকে অন্য দেশ হয়ে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।


উপদেষ্টা জাহেদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য। তবে উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ সূত্রটি জানায়,  তিনি রোববার বিকেল তিনটা ২০ মিনিটে সাধারণ পাসপোর্টে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে যাত্রা করেছিলেন। দিল্লির বিমানবন্দরে নামার পর তাকে ভারতের নজরদারি তালিকা অনুযায়ী আটকে দেওয়া হয়েছিল।


সূত্রটি নিউজ১৮-কে জানায়, প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে অসঙ্গতি শনাক্ত ও সমাধান করার পর কর্মকর্তারা তাঁকে ছাড়পত্র দেন। তবে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।


প্রসঙ্গত, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের কয়েকজন ইনফ্লুয়েন্সারের ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করে ভারত। দেশটির কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব ইনফ্লুয়েন্সারের বক্তব্য ভারতবিরোধী। এই তালিকায় জাহেদ উর রহমানের নামও রয়েছে বলে জানা গেছে।